লালমনি.প্রেসআবাসস্থল সংকট ও কীটনাশকের বিষে বিলুপ্তির পথে জাতীয় পাখি দোয়েল
আবাসস্থল সংকট ও কীটনাশকের বিষে বিলুপ্তির পথে জাতীয় পাখি দোয়েল
প্রতিবেদক: নিজস্ব প্রতিবেদকসংগৃহিত
বাংলাদেশের জাতীয় পাখি দোয়েল এখন নানা সংকটে অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার লড়াই করছে। একসময় মানুষের বসতবাড়ির আশপাশ, গাছের কোটর, মাটির ঘরের চালের ফাঁকা জায়গা কিংবা সবজির মাচায় সহজেই দেখা মিলত দোয়েলের। তবে আধুনিকায়নের প্রভাবে গ্রামাঞ্চলের পরিবেশ বদলে যাওয়ায় দ্রুত কমে যাচ্ছে এ পাখির নিরাপদ আবাসস্থল।
বিশেষজ্ঞদের মতে, মাটির ঘর, খড়ের চাল ও পুরোনো গাছ কমে যাওয়ায় দোয়েল বাসা বাঁধার উপযুক্ত স্থান হারাচ্ছে। পাশাপাশি আধুনিক কৃষিতে অতিরিক্ত ও অনিয়ন্ত্রিত কীটনাশক ব্যবহারের কারণে ফসলের জমির পোকামাকড় বিষাক্ত হয়ে পড়ছে। এসব পোকামাকড় দোয়েলের প্রধান খাদ্য হওয়ায় বিষক্রিয়ায় অনেক পাখি অকালেই মারা যাচ্ছে।
এ ছাড়া জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে আকস্মিক ঝড়-বৃষ্টি ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে দোয়েলের প্রজননও ব্যাহত হচ্ছে। ফলে জাতীয় পাখিটির সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে কমে যাচ্ছে।
পরিবেশবিদরা জানান, দোয়েল শুধু সৌন্দর্যের প্রতীক নয়, এটি কৃষকেরও বন্ধু। বসতবাড়ি ও কৃষিজমির আশপাশে বিচরণ করে ফসলের ক্ষতিকর পোকামাকড় খেয়ে প্রাকৃতিকভাবে কীটপতঙ্গ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কিন্তু আবাসস্থল ধ্বংস, নগরায়ন এবং অতিরিক্ত কীটনাশকের ব্যবহার অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে জাতীয় পাখি দোয়েল বিলুপ্তির ঝুঁকিতে পড়তে পারে।
তাই দোয়েলসহ দেশীয় পাখি সংরক্ষণে কীটনাশকের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ, পরিবেশবান্ধব কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং বসতবাড়ির আশপাশে দেশীয় গাছ লাগানোর পাশাপাশি তাদের নিরাপদ আবাসস্থল রক্ষায় কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা

Photo: সংগৃহিত
বাংলাদেশের জাতীয় পাখি দোয়েল এখন নানা সংকটে অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার লড়াই করছে। একসময় মানুষের বসতবাড়ির আশপাশ, গাছের কোটর, মাটির ঘরের চালের ফাঁকা জায়গা কিংবা সবজির মাচায় সহজেই দেখা মিলত দোয়েলের। তবে আধুনিকায়নের প্রভাবে গ্রামাঞ্চলের পরিবেশ বদলে যাওয়ায় দ্রুত কমে যাচ্ছে এ পাখির নিরাপদ আবাসস্থল।
বিশেষজ্ঞদের মতে, মাটির ঘর, খড়ের চাল ও পুরোনো গাছ কমে যাওয়ায় দোয়েল বাসা বাঁধার উপযুক্ত স্থান হারাচ্ছে। পাশাপাশি আধুনিক কৃষিতে অতিরিক্ত ও অনিয়ন্ত্রিত কীটনাশক ব্যবহারের কারণে ফসলের জমির পোকামাকড় বিষাক্ত হয়ে পড়ছে। এসব পোকামাকড় দোয়েলের প্রধান খাদ্য হওয়ায় বিষক্রিয়ায় অনেক পাখি অকালেই মারা যাচ্ছে।
এ ছাড়া জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে আকস্মিক ঝড়-বৃষ্টি ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে দোয়েলের প্রজননও ব্যাহত হচ্ছে। ফলে জাতীয় পাখিটির সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে কমে যাচ্ছে।
পরিবেশবিদরা জানান, দোয়েল শুধু সৌন্দর্যের প্রতীক নয়, এটি কৃষকেরও বন্ধু। বসতবাড়ি ও কৃষিজমির আশপাশে বিচরণ করে ফসলের ক্ষতিকর পোকামাকড় খেয়ে প্রাকৃতিকভাবে কীটপতঙ্গ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কিন্তু আবাসস্থল ধ্বংস, নগরায়ন এবং অতিরিক্ত কীটনাশকের ব্যবহার অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে জাতীয় পাখি দোয়েল বিলুপ্তির ঝুঁকিতে পড়তে পারে।
তাই দোয়েলসহ দেশীয় পাখি সংরক্ষণে কীটনাশকের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ, পরিবেশবান্ধব কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং বসতবাড়ির আশপাশে দেশীয় গাছ লাগানোর পাশাপাশি তাদের নিরাপদ আবাসস্থল রক্ষায় কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা
পাঠকের মন্তব্য (০)
মন্তব্য করতে দয়া করে আপনার গুগল একাউন্ট দিয়ে লগইন করুন।
গুগল দিয়ে লগইন করুন


