লালমনি.প্রেসঠাকুরগাঁওয়ে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ, বাবার আত্মহত্যা; প্রধান আসামি ঢাকায় গ্রেপ্তার
ঠাকুরগাঁওয়ে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ, বাবার আত্মহত্যা; প্রধান আসামি ঢাকায় গ্রেপ্তার
প্রতিবেদক: নিজস্ব প্রতিবেদকলালমনি. প্রেস
ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় অষ্টম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগ এবং পরে তার বাবাকে মারধর করে পঙ্গু করে দেওয়ার ঘটনায় প্রধান আসামি মো. সাইফুল ইসলামকে (৩৫) ঢাকার সাভার থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
র্যাবের দাবি, গত ৮ আগস্ট রাতে সাভার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার সাইফুল বালিয়াডাঙ্গী থানার মহিষমারী গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে।
র্যাবের দেওয়া প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় একটি উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীকে (১৬) বেশ কিছুদিন ধরে উত্ত্যক্ত ও প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন সাইফুল। ওই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় তাকে অপহরণের পরিকল্পনা করা হয় বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
এজাহার অনুযায়ী, গত ২৫ জুন সকাল ১০টার দিকে বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে স্কুলের পাশের রাস্তা থেকে ওই ছাত্রীকে জোরপূর্বক একটি অটোরিকশায় তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে কয়েকটি সাদা কাগজ ও স্ট্যাম্পে তার স্বাক্ষর নেওয়া হয়। এরপর অজ্ঞাত একটি স্থানে নিয়ে সাইফুল ও তার সহযোগীরা তাকে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
পরে কৌশলে আসামিদের কবল থেকে বের হয়ে বাড়িতে ফিরে বাবা-মাকে বিষয়টি জানান ওই কিশোরী। মেয়ের ওপর নির্যাতনের প্রতিবাদ জানাতে তার বাবা সাইফুলের বাড়িতে গেলে আসামিরা উল্টো হুমকি দেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। মেয়েটির স্বাক্ষর দিয়ে বিয়ের জাল কাবিননামা তৈরি করা হয়েছে এবং আইনি পদক্ষেপ নিলে পুরো পরিবারকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয় বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

Photo: লালমনি. প্রেস
ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় অষ্টম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগ এবং পরে তার বাবাকে মারধর করে পঙ্গু করে দেওয়ার ঘটনায় প্রধান আসামি মো. সাইফুল ইসলামকে (৩৫) ঢাকার সাভার থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
র্যাবের দাবি, গত ৮ আগস্ট রাতে সাভার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার সাইফুল বালিয়াডাঙ্গী থানার মহিষমারী গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে।
র্যাবের দেওয়া প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় একটি উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীকে (১৬) বেশ কিছুদিন ধরে উত্ত্যক্ত ও প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন সাইফুল। ওই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় তাকে অপহরণের পরিকল্পনা করা হয় বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
এজাহার অনুযায়ী, গত ২৫ জুন সকাল ১০টার দিকে বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে স্কুলের পাশের রাস্তা থেকে ওই ছাত্রীকে জোরপূর্বক একটি অটোরিকশায় তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে কয়েকটি সাদা কাগজ ও স্ট্যাম্পে তার স্বাক্ষর নেওয়া হয়। এরপর অজ্ঞাত একটি স্থানে নিয়ে সাইফুল ও তার সহযোগীরা তাকে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
পরে কৌশলে আসামিদের কবল থেকে বের হয়ে বাড়িতে ফিরে বাবা-মাকে বিষয়টি জানান ওই কিশোরী। মেয়ের ওপর নির্যাতনের প্রতিবাদ জানাতে তার বাবা সাইফুলের বাড়িতে গেলে আসামিরা উল্টো হুমকি দেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। মেয়েটির স্বাক্ষর দিয়ে বিয়ের জাল কাবিননামা তৈরি করা হয়েছে এবং আইনি পদক্ষেপ নিলে পুরো পরিবারকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয় বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
র্যাব জানায়, গত ২ জুলাই বিকেলে বাড়ি থেকে বের হয়ে কাঁচা রাস্তায় পৌঁছালে আগে থেকে ওৎ পেতে থাকা আসামিরা লোহার রড ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে ওই ছাত্রীর বাবা আবুল কাসেমের (৪২) ওপর হামলা চালায়। এতে তার ডান পায়ের হাঁটু ভেঙে যায় এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম হয়। একপর্যায়ে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টাও করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
র্যাবের ভাষ্য অনুযায়ী, মেয়ের ওপর নির্যাতন, নিজের পঙ্গুত্ব এবং আসামিদের প্রাণনাশের হুমকিতে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন আবুল কাসেম। গত ৫ জুলাই বেলা ১১টার দিকে পরিবারের অগোচরে নিজ বাড়ির গোয়ালঘরে গলায় দড়ি দিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেন।
এ ঘটনায় ওই কিশোরীর মা বাদী হয়ে গত ৫ জুলাই বালিয়াডাঙ্গী থানায় আটজনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন। মামলাটির গুরুত্ব বিবেচনায় আসামিদের গ্রেপ্তারে র্যাব-১৩ গোয়েন্দা নজরদারি শুরু করে।
পাঠকের মন্তব্য (০)
মন্তব্য করতে দয়া করে আপনার গুগল একাউন্ট দিয়ে লগইন করুন।
গুগল দিয়ে লগইন করুন






