লালমনি.প্রেসলালমনিরহাটে বেড়েছে লোডশেডিং, অতিষ্ঠ জনজীবন।
লালমনিরহাটে বেড়েছে লোডশেডিং, অতিষ্ঠ জনজীবন।
প্রতিবেদক: নিজস্ব প্রতিবেদকসংগৃহীত
লালমনিরহাট জেলায় হঠাৎ করেই লোডশেডিংয়ের মাত্রা অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় একদিকে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে, অন্যদিকে চরম ব্যাহত হচ্ছে দৈনন্দিন কাজকর্ম ও ব্যবসা-বাণিজ্য।
স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, দিন ও রাত মিলিয়ে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টারও বেশি সময় বিদ্যুৎ থাকছে না। বিশেষ করে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতাধীন গ্রামগুলোতে পরিস্থিতি সবচেয়ে বেশি ভয়াবহ। ঘন ঘন বিদ্যুৎ যাওয়া-আসার কারণে প্রচণ্ড গরমে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে শিশু ও বয়োবৃদ্ধরা। হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে, আর শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় পড়ছে মারাত্মক প্রভাব।
ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা জানান, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ না থাকায় ফ্রিজে রাখা পণ্য নষ্ট হচ্ছে এবং রাইস মিল, ওয়ার্কশপসহ কলকারখানার উৎপাদন অর্ধেকে নেমে এসেছে। এর ফলে তারা আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন।
বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় বাধ্য হয়ে এই লোডশেডিং দিতে হচ্ছে। দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ।

Photo: সংগৃহীত
লালমনিরহাট জেলায় হঠাৎ করেই লোডশেডিংয়ের মাত্রা অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় একদিকে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে, অন্যদিকে চরম ব্যাহত হচ্ছে দৈনন্দিন কাজকর্ম ও ব্যবসা-বাণিজ্য।
স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, দিন ও রাত মিলিয়ে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টারও বেশি সময় বিদ্যুৎ থাকছে না। বিশেষ করে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতাধীন গ্রামগুলোতে পরিস্থিতি সবচেয়ে বেশি ভয়াবহ। ঘন ঘন বিদ্যুৎ যাওয়া-আসার কারণে প্রচণ্ড গরমে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে শিশু ও বয়োবৃদ্ধরা। হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে, আর শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় পড়ছে মারাত্মক প্রভাব।
ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা জানান, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ না থাকায় ফ্রিজে রাখা পণ্য নষ্ট হচ্ছে এবং রাইস মিল, ওয়ার্কশপসহ কলকারখানার উৎপাদন অর্ধেকে নেমে এসেছে। এর ফলে তারা আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন।
বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় বাধ্য হয়ে এই লোডশেডিং দিতে হচ্ছে। দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ।
পাঠকের মন্তব্য (০)
মন্তব্য করতে দয়া করে আপনার গুগল একাউন্ট দিয়ে লগইন করুন।
গুগল দিয়ে লগইন করুন






