লালমনি.প্রেসমাদ্রাসাছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষক গ্রেপ্তারঃ
মাদ্রাসাছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষক গ্রেপ্তারঃ
প্রতিবেদক: নিজস্ব প্রতিবেদকসংগৃহিত
লালমনিরহাটের আদিতমারীতে এক মাদ্রাসাছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে এক শিক্ষককে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ২১ জুলাই ২০২৬ রাত আনুমানিক ১২টা ৩০ মিনিটে আদিতমারী উপজেলার ২ নম্বর ভেলাবাড়ী ইউনিয়নের পশ্চিম ভেলাবাড়ী নামুড়ীর পাড় এলাকার একটি হাফেজিয়া মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, ভুক্তভোগী ১২ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থী রাতে নিজ বেডে ঘুমিয়ে ছিল। এ সময় অভিযুক্ত শিক্ষক মো. শাহজালাল হক (২৩) মাথাব্যথার কথা বলে শিশুটিকে নিজের বেডের কাছে ডেকে নেন। পরে জোরপূর্বক তাকে বলাৎকার করেন এবং বিষয়টি কাউকে জানালে ক্ষতির ভয়ভীতি দেখান বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী ভয় পেয়ে প্রথমে বিষয়টি গোপন রাখলেও পরে তার পরিবার ঘটনাটি জানতে পারে। এরপর স্থানীয় লোকজনকে সঙ্গে নিয়ে মাদ্রাসায় গিয়ে অভিযুক্তকে না পেয়ে কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়। পরে ২৪ জুলাই রাতে অভিযুক্ত ছুটি শেষে মাদ্রাসায় ফিরে এলে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এ সময় তিনি অভিযোগের বিষয়টি স্বীকার করেন বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। এরপর উত্তেজিত জনতা তাকে মারধর করে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা মো. আরিফুল ইসলাম বাদী হয়ে ২৫ জুলাই আদিতমারী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। মামলার নম্বর-৩৭, তারিখ ২৫ জুলাই ২০২৬।
পুলিশ জানায়, মামলা রুজুর পর অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং ঘটনার বিষয়ে আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

Photo: সংগৃহিত
লালমনিরহাটের আদিতমারীতে এক মাদ্রাসাছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে এক শিক্ষককে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ২১ জুলাই ২০২৬ রাত আনুমানিক ১২টা ৩০ মিনিটে আদিতমারী উপজেলার ২ নম্বর ভেলাবাড়ী ইউনিয়নের পশ্চিম ভেলাবাড়ী নামুড়ীর পাড় এলাকার একটি হাফেজিয়া মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, ভুক্তভোগী ১২ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থী রাতে নিজ বেডে ঘুমিয়ে ছিল। এ সময় অভিযুক্ত শিক্ষক মো. শাহজালাল হক (২৩) মাথাব্যথার কথা বলে শিশুটিকে নিজের বেডের কাছে ডেকে নেন। পরে জোরপূর্বক তাকে বলাৎকার করেন এবং বিষয়টি কাউকে জানালে ক্ষতির ভয়ভীতি দেখান বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী ভয় পেয়ে প্রথমে বিষয়টি গোপন রাখলেও পরে তার পরিবার ঘটনাটি জানতে পারে। এরপর স্থানীয় লোকজনকে সঙ্গে নিয়ে মাদ্রাসায় গিয়ে অভিযুক্তকে না পেয়ে কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়। পরে ২৪ জুলাই রাতে অভিযুক্ত ছুটি শেষে মাদ্রাসায় ফিরে এলে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এ সময় তিনি অভিযোগের বিষয়টি স্বীকার করেন বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। এরপর উত্তেজিত জনতা তাকে মারধর করে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা মো. আরিফুল ইসলাম বাদী হয়ে ২৫ জুলাই আদিতমারী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। মামলার নম্বর-৩৭, তারিখ ২৫ জুলাই ২০২৬।
পুলিশ জানায়, মামলা রুজুর পর অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং ঘটনার বিষয়ে আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
পাঠকের মন্তব্য (০)
মন্তব্য করতে দয়া করে আপনার গুগল একাউন্ট দিয়ে লগইন করুন।
গুগল দিয়ে লগইন করুন






