লালমনি.প্রেসকুড়িগ্রামে কিশোরী ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি ঢাকায় গ্রেফতার
কুড়িগ্রামে কিশোরী ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি ঢাকায় গ্রেফতার
প্রতিবেদক: নিজস্ব প্রতিবেদকলালমনি.প্রেস
কুড়িগ্রামের উলিপুরে কিশোরী ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি মো. হৃদয় হাসান ওরফে রাকিবকে (১৯) রাজধানী ঢাকা থেকে গ্রেফতার করেছে এসআরবি। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ঢাকা মহানগরীর দারুস সালাম থানাধীন ডেলটা হাসপাতাল লিমিটেডের সামনে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।
এসআরবির পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সুনির্দিষ্ট তথ্য ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সদর কোম্পানি, এসআরবি-১৩ রংপুর এবং এসআরবি-৪, সিপিসি-২ মিরপুর ক্যাম্পের যৌথ আভিযানিক দল এ অভিযান পরিচালনা করে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী কিশোরীর সঙ্গে রাকিবের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। গত ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে রাকিব ওই কিশোরীকে দেখা করার জন্য কাজির মসজিদ হাফিজিয়া মাদ্রাসায় যেতে বলে। সেখানে যাওয়ার পর রাত ২টার দিকে মাদ্রাসার শিক্ষক ও মামলার অপর আসামি শহিদুল ইসলাম ওই কিশোরীকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
এজাহারের বিবরণ অনুযায়ী, ওই সময় কিশোরীর চিৎকার শুনে রাকিব সেখানে উপস্থিত হন। পরে তাঁকে মাদ্রাসার অন্য একটি কক্ষে নিয়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কিশোরীর দাদা বাদী হয়ে উলিপুর থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।
এসআরবি জানায়, গ্রেফতার আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। হত্যা, অপহরণ, ধর্ষণসহ গুরুতর অপরাধ দমনে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

Photo: লালমনি.প্রেস
কুড়িগ্রামের উলিপুরে কিশোরী ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি মো. হৃদয় হাসান ওরফে রাকিবকে (১৯) রাজধানী ঢাকা থেকে গ্রেফতার করেছে এসআরবি। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ঢাকা মহানগরীর দারুস সালাম থানাধীন ডেলটা হাসপাতাল লিমিটেডের সামনে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতার রাকিব উলিপুর থানার নন্দুনেফড়া গ্রামের রানু মিয়ার ছেলে।
এসআরবির পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সুনির্দিষ্ট তথ্য ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সদর কোম্পানি, এসআরবি-১৩ রংপুর এবং এসআরবি-৪, সিপিসি-২ মিরপুর ক্যাম্পের যৌথ আভিযানিক দল এ অভিযান পরিচালনা করে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী কিশোরীর সঙ্গে রাকিবের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। গত ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে রাকিব ওই কিশোরীকে দেখা করার জন্য কাজির মসজিদ হাফিজিয়া মাদ্রাসায় যেতে বলে। সেখানে যাওয়ার পর রাত ২টার দিকে মাদ্রাসার শিক্ষক ও মামলার অপর আসামি শহিদুল ইসলাম ওই কিশোরীকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
এজাহারের বিবরণ অনুযায়ী, ওই সময় কিশোরীর চিৎকার শুনে রাকিব সেখানে উপস্থিত হন। পরে তাঁকে মাদ্রাসার অন্য একটি কক্ষে নিয়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কিশোরীর দাদা বাদী হয়ে উলিপুর থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।
এসআরবি জানায়, গ্রেফতার আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। হত্যা, অপহরণ, ধর্ষণসহ গুরুতর অপরাধ দমনে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
পাঠকের মন্তব্য (০)
মন্তব্য করতে দয়া করে আপনার গুগল একাউন্ট দিয়ে লগইন করুন।
গুগল দিয়ে লগইন করুন






