লালমনি.প্রেসনা ফেরার দেশে সর্বকালের সেরা অলরাউন্ডার, ক্রিকেট বিশ্বে শোকঃ
না ফেরার দেশে সর্বকালের সেরা অলরাউন্ডার, ক্রিকেট বিশ্বে শোকঃ
প্রতিবেদক: নিজস্ব প্রতিবেদকসংগৃহিত
ক্রিকেট বিশ্বের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ কিংবদন্তি স্যার গারফিল্ড ‘গ্যারি’ সোবার্স আর নেই। শুক্রবার (১৭ জুলাই) ৮৯ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজ (সিডব্লিউআই) ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)।
গ্যারি সোবার্সকে ক্রিকেট ইতিহাসের সর্বকালের সেরা অলরাউন্ডারদের একজন হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ব্যাট হাতে যেমন ছিলেন অনন্য, তেমনি পেস, সুইং ও স্পিন—তিন ধরনের বোলিংয়েই সমান দক্ষতা দেখিয়ে তিনি অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছিলেন।
১৯৫৪ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয় সোবার্সের। দুই দশকের ক্যারিয়ারে তিনি খেলেছেন ৯৩টি টেস্ট ম্যাচ। এতে ৫৭.৭৮ গড়ে করেছেন ৮ হাজার ৩২ রান, যার মধ্যে রয়েছে ২৬টি সেঞ্চুরি। বল হাতে নিয়েছেন ২৩৫ উইকেট।
১৯৫৮ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে অপরাজিত ৩৬৫ রানের ঐতিহাসিক ইনিংস খেলেছিলেন সোবার্স। সেটিই ছিল সে সময় টেস্ট ক্রিকেটের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংসের রেকর্ড, যা দীর্ঘদিন অক্ষুণ্ন ছিল।
শুধু আন্তর্জাতিক ক্রিকেট নয়, প্রথম-শ্রেণির ক্রিকেটেও গড়েছেন ইতিহাস। ১৯৬৮ সালে নটিংহ্যামশায়ারের বিপক্ষে খেলতে নেমে এক ওভারে টানা ছয়টি ছক্কা হাঁকিয়ে প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে এই বিরল কীর্তি গড়েন তিনি।
অসাধারণ ক্রিকেটীয় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৭৫ সালে ব্রিটিশ রাজমুকুটের পক্ষ থেকে নাইটহুডে ভূষিত হন সোবার্স। পরবর্তীতে আইসিসি বর্ষসেরা পুরুষ ক্রিকেটারের পুরস্কারের নামও রাখা হয় **স্যার গারফিল্ড সোবার্স ট্রফি**।

Photo: সংগৃহিত
ক্রিকেট বিশ্বের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ কিংবদন্তি স্যার গারফিল্ড ‘গ্যারি’ সোবার্স আর নেই। শুক্রবার (১৭ জুলাই) ৮৯ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজ (সিডব্লিউআই) ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)।
গ্যারি সোবার্সকে ক্রিকেট ইতিহাসের সর্বকালের সেরা অলরাউন্ডারদের একজন হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ব্যাট হাতে যেমন ছিলেন অনন্য, তেমনি পেস, সুইং ও স্পিন—তিন ধরনের বোলিংয়েই সমান দক্ষতা দেখিয়ে তিনি অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছিলেন।
১৯৫৪ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয় সোবার্সের। দুই দশকের ক্যারিয়ারে তিনি খেলেছেন ৯৩টি টেস্ট ম্যাচ। এতে ৫৭.৭৮ গড়ে করেছেন ৮ হাজার ৩২ রান, যার মধ্যে রয়েছে ২৬টি সেঞ্চুরি। বল হাতে নিয়েছেন ২৩৫ উইকেট।
১৯৫৮ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে অপরাজিত ৩৬৫ রানের ঐতিহাসিক ইনিংস খেলেছিলেন সোবার্স। সেটিই ছিল সে সময় টেস্ট ক্রিকেটের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংসের রেকর্ড, যা দীর্ঘদিন অক্ষুণ্ন ছিল।
শুধু আন্তর্জাতিক ক্রিকেট নয়, প্রথম-শ্রেণির ক্রিকেটেও গড়েছেন ইতিহাস। ১৯৬৮ সালে নটিংহ্যামশায়ারের বিপক্ষে খেলতে নেমে এক ওভারে টানা ছয়টি ছক্কা হাঁকিয়ে প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে এই বিরল কীর্তি গড়েন তিনি।
অসাধারণ ক্রিকেটীয় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৭৫ সালে ব্রিটিশ রাজমুকুটের পক্ষ থেকে নাইটহুডে ভূষিত হন সোবার্স। পরবর্তীতে আইসিসি বর্ষসেরা পুরুষ ক্রিকেটারের পুরস্কারের নামও রাখা হয় **স্যার গারফিল্ড সোবার্স ট্রফি**।
তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে আইসিসি, ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজসহ বিশ্বের বিভিন্ন ক্রিকেট বোর্ড। সাবেক ও বর্তমান ক্রিকেটাররাও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিংবদন্তি এই অলরাউন্ডারের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।
গ্যারি সোবার্সের বিদায়ে ক্রিকেট হারাল এমন এক কিংবদন্তিকে, যার অলরাউন্ড নৈপুণ্য আজও অনেকের কাছে আদর্শ এবং যার কীর্তি ক্রিকেট ইতিহাসে চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
পাঠকের মন্তব্য (০)
মন্তব্য করতে দয়া করে আপনার গুগল একাউন্ট দিয়ে লগইন করুন।
গুগল দিয়ে লগইন করুন






