লালমনি.প্রেসইংল্যান্ড কে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালে আর্জেন্টিনা
ইংল্যান্ড কে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালে আর্জেন্টিনা
প্রতিবেদক: নিজস্ব প্রতিবেদকসংগৃহিত
৮৬ মিনিট পর্যন্ত ফাইনালের খুব কাছাকাছি ছিল ইংল্যান্ড। কিন্তু মাঠে যখন লিওনেল মেসি, তখন শেষ বাঁশি বাজার আগে গল্প শেষ হয় না। আর তাই হলো, অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা।
বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে প্রথমার্ধ ছিল উত্তেজনা, কড়া ট্যাকল আর স্নায়ুচাপের লড়াইয়ে ভরা। চতুর্থ মিনিটেই এনসো ফার্নান্দেসের ট্যাকলে পড়ে যান এলিয়ট অ্যান্ডারসন। সেটিকে ঘিরে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়। তবে রেফারি ইসমাইল এলফাথ দ্রুত পরিস্থিতি সামাল দেন।
ইংল্যান্ড শুরুতে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেললেও আর্জেন্টিনা ধীরে ধীরে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিতে থাকে। ১৫তম মিনিটে বাঁ দিক দিয়ে দারুণ আক্রমণে ওঠেন অ্যান্থনি গর্ডন, কিন্তু অতিরিক্ত ড্রিবল করায় সুযোগ নষ্ট হয়। ২০তম মিনিটে কেইন-রজার্সের সমন্বয়ে গড়া আক্রমণ থেকে রিস জেমসের নিচু ক্রস সহজেই ধরে ফেলেন এমিলিয়ানো মার্তিনেস।
২৮তম মিনিটে জর্ডান পিকফোর্ডের ভুল ক্লিয়ারেন্স থেকে সুযোগ তৈরি হলেও বল নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেননি মেসি। এরপর ৩৩তম মিনিটে ডেকলান রাইসের ফ্রি-কিক থেকে জন স্টোনসের হেড অল্পের জন্য বাইরে চলে যায়। ৩৭তম মিনিটে মেসিকে থামাতে গিয়ে হলুদ কার্ড দেখেন অ্যান্ডারসন।
পাঁচ মিনিট পর দ্রুতগতির কাউন্টার থামাতে রজার্সকে ফাউল করে বুকিং পান লিসান্দ্রো মার্তিনেস। প্রথমার্ধে আর্জেন্টিনার সেরা সুযোগ আসে ৩৮তম মিনিটে, যখন এনজো ফার্নান্দেজের ২৫ গজ দূরের শট ক্রসবারের ওপর দিয়ে চলে যায়। গোলশূন্য অবস্থাতেই বিরতিতে যায় দুই দল।

Photo: সংগৃহিত
৮৬ মিনিট পর্যন্ত ফাইনালের খুব কাছাকাছি ছিল ইংল্যান্ড। কিন্তু মাঠে যখন লিওনেল মেসি, তখন শেষ বাঁশি বাজার আগে গল্প শেষ হয় না। আর তাই হলো, অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা।
বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে প্রথমার্ধ ছিল উত্তেজনা, কড়া ট্যাকল আর স্নায়ুচাপের লড়াইয়ে ভরা। চতুর্থ মিনিটেই এনসো ফার্নান্দেসের ট্যাকলে পড়ে যান এলিয়ট অ্যান্ডারসন। সেটিকে ঘিরে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়। তবে রেফারি ইসমাইল এলফাথ দ্রুত পরিস্থিতি সামাল দেন।
ইংল্যান্ড শুরুতে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেললেও আর্জেন্টিনা ধীরে ধীরে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিতে থাকে। ১৫তম মিনিটে বাঁ দিক দিয়ে দারুণ আক্রমণে ওঠেন অ্যান্থনি গর্ডন, কিন্তু অতিরিক্ত ড্রিবল করায় সুযোগ নষ্ট হয়। ২০তম মিনিটে কেইন-রজার্সের সমন্বয়ে গড়া আক্রমণ থেকে রিস জেমসের নিচু ক্রস সহজেই ধরে ফেলেন এমিলিয়ানো মার্তিনেস।
২৮তম মিনিটে জর্ডান পিকফোর্ডের ভুল ক্লিয়ারেন্স থেকে সুযোগ তৈরি হলেও বল নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেননি মেসি। এরপর ৩৩তম মিনিটে ডেকলান রাইসের ফ্রি-কিক থেকে জন স্টোনসের হেড অল্পের জন্য বাইরে চলে যায়। ৩৭তম মিনিটে মেসিকে থামাতে গিয়ে হলুদ কার্ড দেখেন অ্যান্ডারসন।
পাঁচ মিনিট পর দ্রুতগতির কাউন্টার থামাতে রজার্সকে ফাউল করে বুকিং পান লিসান্দ্রো মার্তিনেস। প্রথমার্ধে আর্জেন্টিনার সেরা সুযোগ আসে ৩৮তম মিনিটে, যখন এনজো ফার্নান্দেজের ২৫ গজ দূরের শট ক্রসবারের ওপর দিয়ে চলে যায়। গোলশূন্য অবস্থাতেই বিরতিতে যায় দুই দল।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ম্যাচের গতি বেড়ে যায়। ৪৮তম মিনিটে হুলিয়ান আলভারেসের শট দুর্দান্ত দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন পিকফোর্ড। ৫৫তম মিনিটে কাঙ্ক্ষিত গোল পায় ইংল্যান্ড। মাঝমাঠে বল কেড়ে নিয়ে মর্গান রজার্স বাঁ দিক থেকে নিখুঁত ক্রস বাড়ান, আর সেখানে দারুণ দৌড়ে এসে কাছ থেকে বল জালে জড়িয়ে দেন অ্যান্থনি গর্ডন।
গোল হজমের পরপরই সমতায় ফেরার সুযোগ পেয়েছিল আর্জেন্টিনা। ৫৭তম মিনিটে জুলিয়ানো সিমেওনের নিশ্চিত গোল অবিশ্বাস্য স্লাইডিং ট্যাকলে রুখে দেন জেড স্পেন্স। এরপর পুরো ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় লিওনেল স্কালোনির দল।
পাঠকের মন্তব্য (০)
মন্তব্য করতে দয়া করে আপনার গুগল একাউন্ট দিয়ে লগইন করুন।
গুগল দিয়ে লগইন করুন






